Ti Baje-এ টাকা জমা দেওয়া বা তোলা — দুটোই এখন অত্যন্ত সহজ। বিকাশ, নগদ, রকেট বা ব্যাংক — যেকোনো পদ্ধতিতে মুহূর্তের মধ্যে লেনদেন সম্পন্ন হয়।
বরিশালের করিম ভাই প্রথমবার Ti Baje-এ ডিপোজিট করার পর বলেছিলেন, "মনে করেছিলাম ঝামেলা হবে, কিন্তু মাত্র দুই মিনিটে বিকাশ থেকে টাকা ঢুকে গেল।" এটাই Ti Baje-এর আর্থিক লেনদেনের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য — সহজ, দ্রুত এবং সম্পূর্ণ নিরাপদ।
বাংলাদেশে বেশিরভাগ মানুষ এখন মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করেন। সেই বাস্তবতা মাথায় রেখে Ti Baje বিকাশ, নগদ এবং রকেটকে প্রধান পেমেন্ট পদ্ধতি হিসেবে রেখেছে। ব্যাংক ট্রান্সফারও সমান সহজে করা যায়।
একটু লক্ষ্য করলে দেখবেন Ti Baje-এর লেনদেন প্রক্রিয়া অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম থেকে আলাদা — এখানে কোনো লুকানো চার্জ নেই, কোনো অপেক্ষা নেই এবং যেকোনো সমস্যায় সাথে সাথে সাপোর্ট পাওয়া যায়।
বাংলাদেশের সব প্রধান পেমেন্ট পদ্ধতি সাপোর্ট করে Ti Baje।
রাঙামাটির নাসরিন বেগম বলেন, "প্রথমবার একটু ভয় পেয়েছিলাম, কিন্তু Ti Baje-এর গাইড দেখে সহজেই করতে পেরেছি।" নিচে ধাপগুলো দেওয়া হলো।
Ti Baje-এ সমর্থিত সব পেমেন্ট পদ্ধতির সীমা ও সময় এক নজরে।
কক্সবাজারের মৎস্যজীবী সমিতির সদস্য আরিফ ভাই বলেন, "অনলাইনে টাকা পাঠাতে আগে ভয় লাগত। কিন্তু Ti Baje-এ দুই বছর ধরে লেনদেন করছি, একবারও কোনো সমস্যা হয়নি।"
Ti Baje-এ প্রতিটি লেনদেন ব্যাংক-স্তরের SSL এনক্রিপশন দ্বারা সুরক্ষিত। আপনার আর্থিক তথ্য কখনো তৃতীয় পক্ষের সাথে শেয়ার করা হয় না।
নারায়ণগঞ্জের ক্রিকেটপ্রেমী খেলোয়াড়রা বলেন, Ti Baje-এ লেনদেন করতে গিয়ে কিছু ছোট ছোট বিষয় জানলে সব সহজ হয়ে যায়।
Ti Baje-এ লেনদেন নিয়ে যেসব প্রশ্ন সবচেয়ে বেশি আসে।